অটোয়া, শুক্রবার ২০ মে, ২০২২
বিপ্লব মাজীর দু’টি কবিতা

অদৃশ্য ভাইরাস
ন্ধকার,
আরো অন্ধকারের দিকে চলেছি আমরা,
যাদের যাওয়ার কথা না,
একে একে নিঃশব্দে চলে যাচ্ছে!
অদৃশ্য ভাইরাস
ক্ষুধার্ত বাঘের চেয়েও হিংস্র,
নিঃশব্দে আসে শবদেহ কাঁধে নিয়ে চলে যায়!
মানুষের আর্তনাদ কাকুতি মিনতি
কিছুই শোনে না,
অন্ধকারে তার জ্বলন্ত চোখ
বরফের চেয়েও ঠাণ্ডা...

মৃতেরা ফিরে আসে খুনিরা জানে না...
(মধ্য প্রদেশের দলিত দম্পতি রাজু ও সাবিত্রী -কে)

'মৃত মানুষদের মুখ নাকি আয়নায় দেখা যায় না',
যমপটে দেখেছিলাম বাঁকুড়ার কোন এক প্রান্তিক গ্রামে।
পটুয়া দেখিয়েছিলেন কিভাবে জলের আয়নায় মৃতেরা ফিরে আসে।
আর তারা তাই আঁকেন যমপটে...
দলিতদের ঋণের ফসল
যে শাসকেরা পুলিশ পেয়াদা লাগিয়ে ধ্বংস করে,
তারাও আয়নায় নিজেদের মুখ দেখে না,
কেননা তারা খুন করায় রাষ্ট্রকে সঙ্গে নিয়ে!
রাষ্ট্রও আয়নায় নিজের মুখ দেখে না।
দলিতের লাশ
ধর্ষণে ক্ষতবিক্ষত খেতে পড়ে থাকে!
দলিতের স্বপ্ন রক্তদাগে খেতে ভেসে যেতে থাকে!
সময়ের আয়নায় সবই লেখা থাকে।
মৃতেরা কথা বলে খুনিরা জানে না।
মৃতেরা ফিরে আসে খুনিরা জানে না...

বিপ্লব মাজী। কলকাতা