অটোয়া, শনিবার ২১ মে, ২০২২
মো: জিল্লুর রহমান প্রামানিক’র দু’টি কবিতা

দেখবে না বুকে ছিল কতটা অঙ্গার
লুণ্ঠন করেছি আমি যা-কিছু নির্যাস
এমনকি গোলার শস্য স্বচ্ছ তালশাঁস
এমনকি ঘর ছোঁয়া শিউলির পাতা
টেবিলে যা কিছু ছিল বইপত্র খাতা,

বিছানায় যা ছিল, তা---বালিশ চাদর
তোমার গায়ের গন্ধ একান্ত আদর
চুলোয় চায়ের পাত্রে টগবগে জল
তোমার নিখুঁত  ভুরু চোখের কাজল

বিধ্বস্ত করেছি আমি পুরোনো শপথ
ছিনিয়ে নিয়েছি আমি আঙিনা ও পথ
আশেপাশে যতো আছে ছোট বড় খাল
তোমার দুপুর রাত এবং সকাল!

দস্যু ভাবো, শত্রু ভাবো বা দখলদার---
কোনোদিনও জানবে না বুকে কী অঙ্গার!

নতুন কোনো দ্বিধায় এসো
রিবর্তিত পরিস্থিতি---শুনলে তুমি আঁতকে ওঠো
কাঁপতে থাকে চোখের পাতা, নাকের ডগা এবং ঠোঁটও।
কেমন আছো? "ভালো আছি!" যেনো তুমি দুধের মাছি।
অথচ তোমার চারপাশে আজ দ্বিধার প্রাচীর।

দ্বিধা থেকে মুক্ত হয়ে নতুন কোনো দ্বিধায় এসো
নিজেকে আর না ঠকিয়ে নতুন নদীর জলে ভেসো
এসব দেখা উচিত ছিলো কিন্তু তোমার হয়নি দেখা
দেখবে তোমার দশ দিগন্ত সবই তো সুবর্ণরেখা।

যা ছিল তা থাকবে সবই, আনন্দময় নতুন জীবন
তোমার মনে আলো ছড়ায় দেখবে কেমন মাধবজীবন।
অন্তরালে বদলে গেছো, এই কথাটা বুঝতে শেখো
যতো দূরেই যাওনা তুমি, এই মাটিতে তোমার শেকড়।

মো: জিল্লুর রহমান প্রামানিক। রংপুর