অটোয়া, সোমবার ২৩ মে, ২০২২
সেই প্রশ্নটির উত্তর - আহমদ সারওয়ারুদ্দৌলা

রুণার কথা শুনে
খুব কেঁদেছিল করুণা।
ভেবেছিস; আমি ত্যাগী,
আমি উৎসর্গিত; না রে। 

জানিস তো 
আজকাল ভালোবাসার ওজন হয় নিক্তিতে
সোনা আগুনে পুড়ে খাটি হয়
আর মানুষ হয় ভস্ম। 

সব শ্রম দিয়ে গড়া স্বপ্ন 
বিদীর্ণ করে বক্ষ
যা কখনো কল্পনাতেও আসে নি
কী অদ্ভুত আশেপাশের মানুষজন।

জ্ঞানী না ছাই, অজ্ঞানে বসবাস তাই
জ্ঞান তো তাই
যা পরিশুদ্ধ করে নিজেকে
আর অপরকে করে আলোকিত। 

এক জীবনে কতো কী যে ঘটে চলে
ক্ষুধার তাড়নায় মানুষ সম্ভ্রম বিকায় হাটে।
যে করেছে শিরোনাম 
"বাসন্তী তার লজ্জা ঢাকবে কী দিয়ে"
আবরণ দিয়ে তোকে বাসন্তী 
সেই আলোকচিত্রি পারতো না কি নিজে মানবিকতার শিরোনাম হতে?
বিস্ময়কর অনিশ্চিত জীবনে 
অসীমের পানে ছুটছে মানুষ।

তুই ভাবছিস, কী যে সব বলে চলেছি
তোকে স্বান্তনা দিতে; না রে 
এ আমার উপলব্ধি। 
অন্ধকার না থাকলে আলো নিষ্ক্রিয় 
শুধু কি তাই? সে বড়ই নগ্ন, নির্লজ্জ 
আলো আলোকিত হওয়াতেই শুধু মশগুল। 

বরুণা রে, ভাবিস না
ঝড়ের গতিও নিয়ন্ত্রিত হয়
সব পাখি নীড়ে ফিরে,
সভ্যতা অসভ্যতাকে জয় করবে
আনন্দ জয়গানে ভরে উঠবে এ ধরিত্রী। 

ভালো থাকিস তুই বরুণা। 

আহমদ সারওয়ারুদ্দৌলা
কবি, লেখক ও ম্যানেজিং ডিরেকক্টর 
একাডেমিক প্রেস এন্ড পাবলিসার্স  লাইব্রেরি (এপিপিএল) 
ঢাকা, বাংলাদেশ