অটোয়া, বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল, ২০১৯
নিষিক্ত সময় - শেখ ফিরোজ

বৈপরীত্য অনাকাঙ্খিত এক সত্য বটে ;
ষাট হাজার মাইল ঘুরে আসা পাখিটি জানে তার  মর্ম! 
ঘুরে এসে হয়-নিরঙ্কুশ একফোটা চোখের জল।
ফিরে আসে অবিকল নেত্র হতে গন্ড দেশে।
ও জলে জোৎস্না থাকে;ধর্ম থাকে।পাষন্ড এক খিরকী থাকে।
পাষন্ড চোখ তারে শুধু জল ভেবে উচ্ছ্বল।
তারে চেয়েদেখে নিপাতনে সিদ্ধ সমাজের পাষন্ড চোখ;
ও চোখ শুধু নীল নদে জল দেখে-ফেরাউনের চিঠিতে;
শুধু গন্ধ খুঁজে পুড়ে যাওয়া ধুপ কাঠিতে।
বাতাসের বৈপরীত্য জানে -ডানা ভাঙ্গা পাখি,
প্রবাহমান অশ্রুকে চেনে-শঙ্কিত আঁখি।
নিপাতনে সিদ্ধ সমাজ বড় তীরন্দাজ-
বৈপরীত্যকে করে হাতিয়ার। 
শ্মশানে ধর্ষণ করে ভৌতিক কঙ্কাল!  অবচেতন কলিকাল,ফিরে যাও তবে-
ফিরে যাও, ফেলে আসা আদিম ফসিলে;
এখনো বৈপরিত্যকে কঠোর চাহনিতে রুখে দিতে পারে-
প্রেম কাতুরে জ্বল জ্বলে চোখ;
তবে তাই হোক। এসো প্রেম খুঁজি নিষিক্ত সময়ে।
এই তো নিষিক্ত সময়....!

- শেখ ফিরোজ
ঢাকা, বাংলাদেশ।