অটোয়া, শুক্রবার ২০ মে, ২০২২
শীতল চট্টোপাধ্যায় এর দু'টি কবিতা

ফেরাতেই বাঁচি
দিন-রাত আঁচলেতে ছিল আশা সুর
আঁচলের গেরো খুলে আশা বহুদূর ৷
আমার জীবন পথে ছুঁয়ে থাকা মুখ
দেবনা খবর যাকে আজ বড় দুখ ৷
কম্পিত সময়েও ভাবনাতে স্থির
রাত বাঁচে,দিন বাঁচে,'তারা' তিরতির ৷
এরা আজ জীবনেতে জাগা নির্ভয়
বলেছে -সময়টাকে ভয় করা নয় ৷
তবুও খবর কিছু নয় স্বাভাবিক
বাঁধা পথে , খোলা আছে সূর্যের দিক ৷
তবু আশা পৌঁছুতে ওই পথ ধরে
সেই মুখ চেয়ে আছে না গিয়েও সরে ৷
সত্যিই দেখা যদি শেষবারও হয়
বলব -করেছি তবে বিশ্বাসই জয় ৷
স্মৃতিতেই সত্যিকে ফেরাতেই বাঁচি
অসময় পারে ঠিক হবো কাছাকাছি ৷

পরিত্যক্ত
রিত্যক্ত সামগ্রীতেও আঘাত হেনে
তার দেহাকৃতি থেকে পাওয়া যায়
নতুন ভাষার উচ্চারণ ৷
আঘাত নিক্ষেপনে উৎসারিত শব্দ
তাল হয়ে যায় গানের ছন্দে ,
পরিত্যক্ত সামগ্রীও তখন বাদ্যযন্ত্র হয়
হাতের কৌশলে, মনের যত্নে ৷
ভাঙা-আধভাঙা, ফেলে দেওয়ার কত বস্তুই যখন
গানের সংগে অনিবার্য ভাবে জুড়ে গিয়ে
সুন্দর করে গানকে ৷
গানের পরেও পরিত্যক্ত সামগ্রীর প্রতি
অন্বেষণ, আকর্ষণ, আবেদন, নিবেদন ৷

শীতল চট্টোপাধ্যায়
জগদ্দল, উত্তর ২৪ পরগণা
ভারতবর্ষ