অটোয়া, শুক্রবার ১২ জুলাই, ২০২৪
একা থাকা - বিজয় কর্মকার

কা থাকার কোন উপায় নেই 
কেননা বনগমন করলেও বৃক্ষকুল
তাদের যুগযুগান্তের জমে থাকা বাখান 
শোনাবার ব্যগ্ৰতায় নুয়ে নুয়ে ফিসফিস।
সাগরের কাছে গেলে সে তার রত্ন আকর
ও গুপ্ত পাহাড়ের কথা শুনিয়ে -কান
ঝালাপালা করে। এছাড়াও সে সুনামি
এবং ঘূর্ণিঝড় দুই ক্ষমতার বড়াই....
দিগন্তের দিকে যাই- কিন্তু দিগন্তের 
নাগাল পাওয়া ভীষণ কঠিন।আমি
যতো এগোই ততোই সে পেছিয়ে-ছুট ছুট।
অন্ধকারে আকাশের নিচে একা বসি
তারাদের ফিসফাস কানাকানি যেন 
গোপন কূটকচালি বলে মনে হয়।
ক্রমে ধরিত্রীও যোগ দেয় সেই গূঢ়
চক্রান্তে -মনে হয় পাকে পাকে জড়িয়ে যাচ্ছি
ঐ ষড়যন্ত্রের জালে।তাই গৃহকোণে 
ফিরে আসি আরবার। পরিবার পরিজন 
ও তাদের সমস্যাগুলি সোচ্চার হয়।
শেষ পর্যন্ত তাই একা থাকা হয় না।

বিজয় কর্মকার 
চিত্রশালী, হুগলী