অটোয়া, বৃহস্পতিবার ৩ এপ্রিল, ২০২৫
বারুদে বিস্ফোরণ - জান্নাত মণি

গ্নিশিখা ! কি নিতে চাও-  
নিয়ে যাও, তোমার যা দরকার।
শিশুদের খেলার মাঠ, মাইন পুতে দাও ওতে 
ওরা আর খেলবে না লতাপাতার সাথে।
বিছানায় কাৎরাচ্ছে বৃদ্ধ কুঁড়েঘরে, জ্বালিয়ে দাও পেট্রোলে
ভূমিষ্ঠ হয় নাই যে শিশু মায়ের গর্ভে। 
ওরা আর কাঁদবে না বিচারের বাগানে! 
পুড়বেই যখন দাবানল-ভস্ম উড়িয়ে দাও আকাশে
অন্ধকারে! অরন্যের গহীনে- 
পাখিগুলো সব পুড়ে ঝলসে পড়বে মাটিতে 
হাওড় বাওর বিলেঝিলে আসবেনা দল বেঁধে।
চেতনাবিহীন বিবেকের গায়ে দাও-কেরোসিন ঢেলে
বীজগুলো ছাই হয়ে যাক জমিনে।
ঝিরির পাড়ে মাছগুলো পুড়ে ইস্পাত হয়ে গেছে
বিষ প্রয়োগ করতে আসবেনা কেউ-দীঘির জলে।
বাগান বিলাসের একটি পাপড়ি হয়ত বেঁচে আছে 
যে কবিতা লিখবে! 
বারবিকিউয়ের চুল্লীতে ঝলসে নেয়া হবে কয়লাতে 
আগুন জ্বালিয়ে দাও অ-শিক্ষা বিদ্যায়তনে।    
হিমঘরে রাখা আছে শত শত শবদেহ
পাখিগুলো উড়তে চায়- 
বীজগুলো মাটির গন্ধে শেকড় ছড়িয়ে দেয়। 
মাছগুলো পাখা নাড়ে সঙ্গীতে
শিশুগুলো মায়ের ঠোঁটে চুমু দেবে
সমুদ্রের খোঁজে।

জান্নাত মণি। ঢাকা, বাংলাদেশ