অন্ধকার দূর হয়ে যায়অন্ধকার দূর হয়ে যায়-দূর হয় ঘোর নিদ্রা আরনীল সুকেচের রক্তমাখা কলের বাতাস-সাজানো বাগান তার সজ্জা ছেড়ে দিনের অন্ধকারে।দুপুরের কুয়াশাভরা চাদর আর আমার পল্লিজীবনডুব দেয়া পানকৌড়ির দম ধরে শামুকের লজ্জা ঢাকে।নীলাভ জোছনার জলে নিশুতি আমায় ঘৃণাভরেজলের গায়ে-গভীর ক্রন্দন আর নিঃসঙ্গ ল্যাম্পেরশুনশান আওয়াজ তোলে পতপত করে;বোলে যায়-অন্ধকার দূর হয়ে যায়-দূর হয় ঘোর নিদ্রা আরনীল সুকেচের রক্তমাখা কলের বাতাস। একটি আহারভুক পিপীলিকাউড়ে যাওয়া নাবিকের হাতলে চেপে-অ্যারোস্পেস মোটর ড্রাইভার-মাতাল তালপাতার বদ্ধ ছেঁড়া ট্রেনে চেপে-অম্লত্ব বীক্ষণ শেষেজড়ানো লতার গায়ে হেলেমাচাঙ ভেঙে পড়ছে নিয়ত।বাষ্পীভূত বসতের টিনের চালাটানমনীয় গলার সুন্দরী বউকে-ডোবায় ফেলেপালাক্রমে রোলার কোস্টারে ফুটো বাতির আর্দ্র আলোয়-সিরিশের তেজোদৃপ্ত বর্ষণে-তরল আঠালো যে স্রোত-তার পিঠে সওয়ার হয়েময়নাদের জলভরা কলসের হাতলে শুষ্ক জলেরমৃদুমন্দ চোখ চিন্ময় লালাকে ঢেকে রাখার যেউল্লাশ; তার হাওয়ায় চড়েআমি নিম্নবর্ণের তুষ খেয়েবড্ড আছি।তাজুল মারুফ। ঢাকা
Ashram Bengali Magazine, Ottawa