অটোয়া, বৃহস্পতিবার ৩ এপ্রিল, ২০২৫
তাজুল মারুফ-এর কবিতা

অন্ধকার দূর হয়ে যায়
ন্ধকার দূর হয়ে যায়-দূর হয় ঘোর নিদ্রা আর
নীল সুকেচের রক্তমাখা কলের বাতাস-
সাজানো বাগান তার সজ্জা ছেড়ে দিনের অন্ধকারে।
দুপুরের কুয়াশাভরা চাদর আর আমার পল্লিজীবন
ডুব দেয়া পানকৌড়ির দম ধরে শামুকের লজ্জা ঢাকে।
নীলাভ জোছনার জলে নিশুতি আমায় ঘৃণাভরে
জলের গায়ে-গভীর ক্রন্দন আর নিঃসঙ্গ ল্যাম্পের
শুনশান আওয়াজ তোলে পতপত করে;
বোলে যায়-
অন্ধকার দূর হয়ে যায়-দূর হয় ঘোর নিদ্রা আর
নীল সুকেচের রক্তমাখা কলের বাতাস।

একটি আহারভুক পিপীলিকা
ড়ে যাওয়া নাবিকের হাতলে চেপে-
অ্যারোস্পেস মোটর ড্রাইভার-
মাতাল তালপাতার বদ্ধ ছেঁড়া ট্রেনে চেপে-
অম্লত্ব বীক্ষণ শেষে
জড়ানো লতার গায়ে হেলে
মাচাঙ ভেঙে পড়ছে নিয়ত।
বাষ্পীভূত বসতের টিনের চালাটা
নমনীয় গলার সুন্দরী বউকে-
ডোবায় ফেলে
পালাক্রমে রোলার কোস্টারে ফুটো বাতির আর্দ্র আলোয়-
সিরিশের তেজোদৃপ্ত বর্ষণে-
তরল আঠালো যে স্রোত-
তার পিঠে সওয়ার হয়ে
ময়নাদের জলভরা কলসের হাতলে শুষ্ক জলের
মৃদুমন্দ চোখ চিন্ময় লালাকে ঢেকে রাখার যে
উল্লাশ; তার হাওয়ায় চড়ে
আমি নিম্নবর্ণের তুষ খেয়ে
বড্ড আছি।

তাজুল মারুফ। ঢাকা