অটোয়া, বৃহস্পতিবার ৩ এপ্রিল, ২০২৫
শুভ জিত দত্ত’র কবিতা

মা 
কোন এক পরশে মা গো
আগলে রাখ তুমি,
কেন বার বার বাঁধা পরি
তোমার স্নেহ ডোরে।
এখনো সপ্ন দেখতে সাধ জাগে
তোমার কোলে মাথা রেখে।
আবদার করতে ইচ্ছে করে 
তোমায় কাছে পেলে, 
যখন তখন ডাকতে ইচ্ছে হয়
কি আছে তোমার ডাকে।
তোমার ছোঁয়া পেলে মাগো 
শত কষ্ট গুলো, 
এক নিমিষে কোথায় যেন যায় হারিয়ে।
তোমায় ছেড়ে কোথাও যেতে
পারি না কোন মতে।
তাই বার বার আসি মা গো
তোমার আঁচল তলে,
এই ভাবেই থেক তুমি
আমার পাশে সারা জনম ধরে।।

দাদু
য়সের ভারে হলাম নত
শরীল চলে নাতো,
একটু চলতেই ব্যাথার
জ্বালায় হই কুপকাত।
এই বয়স আসবে সবার 
নাই বা করলি ঠাট্টা,
একদিন আমিও ছিলাম
তোদের মত দুরন্ত ছটফটে।
আর তো এলি না
কত মজার মজার গল্প ছাড়া,
লিখেছি তোদের জন্য।
জানি না থাকবো ক দিন
তবু মাঝে মাঝে আসিস,
বড্ড ভাল লাগে।
দু দন্ড সময় কাটাতে পারি
ঠাকুমা গেছে আমি ও যাব
শেষ কটা দিন,
তোদের সাথে করব অনেক মজা।।

সন্ধ্যা
দেখতে দেখতে নামলো সন্ধ্যা 
সময়ের ব্যাবধানে,
জোনাকী দল ছোটাছোটি করে
আর আলো মেখে ঘোরে।
সময়ের পালা বদলের মাঝে
শব্দরাও ছুটি খোঁজে,
দুরন্ত পাখিদের দল গুলো 
যেন নীরব হয়ে আসে।
কর্মব্যাস্ত শহর যেন
মূহুর্তে শান্ত হয়ে আসে,
এই বুঝি নেমে এল সন্ধ্যা।
সূর্য ডোবে মূহুর্তের মাঝে
আধার নেমে আসে।
খেটে খওয়া মানুষ গুলো
বাড়ি ফিরে আসে সন্ধ্যার আমন্ত্রনে,
নিভু নিভু বাতি গুলো 
হঠ্যাৎ জ্বলে ওঠে।
সন্ধ্যার আকাশের তারা গুলো
ফিক ফিক করে জ্বলে ওঠে।।

মেঘের দল
মেঘ সরে আকাশ আবার
হাসলো সোনা রোদে,
নতুন রোদে ফসল গুলো
সোণার হাসি ছড়ায়।
দিগন্তের ওই দূর আকাশে
পাখিরা সারা ফেলে,
কখন যানি দূর আকাশের 
মেঘ গুলো ভেসে আসে।
কালো মেঘে ঢেকে দেয়
ছেয়ে যায় অন্ধকারে,
বৃষ্টি তে ভিয়ে যায় ফলসের মাঠ 
জমে যায় জলে।
ধুয়ে যায় শহরের রাজপথ
প্রবল বৃষ্টির তোরে,
ভেসে যায় খাল বিল
ভরে যায় পুকুর। 
অসহায় হয়ে চেয়ে থাকা
দূর আকাশের পানে,
আকাশে আবার ভরে যায়
নীল সাদা মেঘের দলে।।

শুভ জিত দত্ত। ঝিনাইদহ