অটোয়া, বৃহস্পতিবার ৩ এপ্রিল, ২০২৫
অয়ন ঘোষ-এর কবিতা

ভেজায় অভ্যাসে
হাতের কাজ ফুরোলে
            মেঘেরা নিবিষ্ট হয়
দূরে সজনার বনে, কতো কালের চেনা।

সাদা ফুল গুলো নিজেদের অজান্তে
কতো যত্নে সাজিয়েছে মজা পুকুরটাকে।

ওকে বাঁয়ে রেখে আর একটু হাঁটলেই গল্পের 
বারবেলা ঘোষেদের চণ্ডী মণ্ডপে
কথায় কথা বাড়ে, বাড়ে রুপোলি স্রোত।

পাকদন্ডী বেয়ে দু পা এগোলেই
হাত ভর্তি কুশল বার্তা কাঠবাদাম গাছের তলায়।

ফরিংয়ের ডানায় কতগুলো অস্থির অক্ষর 
শেষ বিকেলের মরা আলোয় কিছুতেই 
বাক্য হয়ে উঠলো না।

নিঃস্ব চিলেকোঠা ও ডাগর চোখে
জ্বরের বিজ্ঞাপন ঝুলছে আজও।

ডাইনে বাঁয়ে সোজা বিরাম চিহ্ন ধরে
চলতে থাকে বিরতি হীন মেঘ 
তারই ফাঁকে ফাঁকে দু'এক পশলায়
ভিজিয়ে দেয় অভ্যাস মতো।

শূন্য
শূন্যের উপর শূন্যস্থান। স্থির জলে
ভাসে কলঙ্ক। অক্ষর আর অঙ্কের
কোনো কোনো ধর্ম ছিল না
যে যার মতো করে সাজিয়েছি বাসর।

হেতালের লাঠি হাতে পাহারা দিয়েছি
দিনরাত, তবু আগলাতে পারলাম কই!

গাঙের ঘোলা জলে কান্না ভাসিয়ে
ভেলা ভেসে যায় পূর্ণতার খোঁজে...

পাড় আর জলের দূরত্বে  
নিঃসঙ্গ আঁচল পেতে বসে আছে 
বেহুলা আর লখিন্দরের মাঝের
অলৌকিক শুন্যতা...

অয়ন ঘোষ
তারকেশ্বর, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ