অটোয়া, বৃহস্পতিবার ৩ এপ্রিল, ২০২৫
জহুরুল ইসলাম’র দু’টি কবিতা

মনোরথ
বৃক্ষের শাখায় 
শরীরের পানপাতা পিন্ডটি
ঝুলিয়ে দিলাম।

হেমন্তের হিম বায়ু
সকালের নরম সোনালি
রোদে- দোল খায়,
যেন সরল দোলক।

দেখি-
শূন্য করে মাঠের জমিন
ঘরে ফেরে কৃষকের 
উদ্বেলিত মন।

শূন্য মাঠের মতোন পড়ে থাকি একা
পানপাতা প্রদীপের আশায়।
কৃষক বধুর মতো কেউ যদি এসে
তুলে নেয় ঘরে।

রৌদ্রের অন্তরালে
ষ্ট ঝাউ পাতা ঝুলে আছে
রৌদ্রের আড়ালে,
হরিৎ রঙের নিচে।
অনিষ্ট পতঙ্গের আবাস
শয্যা পাতা।
অন্ধকারে চলে অভিযান
মাঠে- ক্ষেতের ফসলে।

রক্তের মতো রঙ্গন
ঝরে পড়ে,
অকালে পথের পাশে-ঘাসে;
নক্ষত্রের মতো শিম ফুল
বেদনায় নীল,
বরফের মতো ঠান্ডা
নরম হৃদয়।

বিহ্বল শিউলি সারারাত
শোক সয়ে শুয়ে 
পড়ে- রাত্রি শেষে শিশিরের জলে। 

তবু অবিরাম বসবাস
হরিৎ রঙের নিচে
রৌদ্রের আড়ালে...

জহুরুল ইসলাম
মির্জাপুর, দাপুনিয়া
পাবনা সদর, পাবনা