নির্বাসন - অনিকেত মহাপাত্র
লড়াইটা ঠান্ডাই ছিল, গেছো মন
ভয়ে শুধু উঠি উঠি করে
নগ্ন ক্ষণ, চর্বনে চর্বনে ক্ষত
উপার্জিত ঢের, দূরায়ণ তার বিভূতি দিয়ে
ব্যারিকেড গড়ে,
নির্বাসনে তুমি আছো,
ডুলুং ঘেঁষে পশ্চিমে পশ্চিমে
ক্ষত নিরাময় দশকের ক্লেশ
সয়ে, বীতশোক হবে
শোক-মার হয়ে।
নিশ্চিত, হাতি কানিমহুলির শাল বনে
বৃদ্ধ কোনো গাছ দেখে, কণ্ডুয়নের তৃপ্তি
খুঁজে নেবে নিজেকে রক্তাক্ত করে,
এতো বিভ্রান্ত হওয়া নয়
সাংস্কৃতিক কাঠামোগুলো
একমাত্রিক ভাষা দেয়
চিন্তন-আধিপত্য, তত্ত্ব নির্মিত
শিরায় শিরায় ভাইকিং অনুতাপ
ভাবমূর্তির ঢোল, ধীরে বাজে,
সপ্তমে ওঠে বিরল কেশের মতো
সলতে জ্বলে এক, বাকিটা অন্ধকার
নির্বাসনে
ফুলের ঘরে মেছুনির কারাগার।
চুবড়ি তার নিয়ত স্বদেশ
চিন্তার বিদেশ, যখন বোঝাতে পারিনি
কিছু, শব্দ ব্যর্থ হয় যখন ঘুম আসে
শুনতে শুনতে, নাসিকা তার জাগ্রত বিবেক
ঘ্রাণ ফাঁকি দেয়, ঘৃণা তখন লক্ষ্যভেদী
সব শেষ মরার, মৃত্যুর স্বীকৃতি
পূর্ব প্রস্তুতির খানিক সময়
নির্বাসন, গাল ঢোকা আবাদের
কালচে ঠোঁটের এপি-সেন্টার থেকে....
অনিকেত মহাপাত্র। কলকাতা, ভারত
-
ছড়া ও কবিতা
-
08-06-2020
-
-