অটোয়া, বৃহস্পতিবার ৩ এপ্রিল, ২০২৫
স্বপ্নবিলাসী - মোঃ শহিদুল ইসলাম

মি হাজার বছর ধরে হাঁটিতেছি বাংলার আঁকাবাঁকা পথে-ঘাটে
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়ার অবারিত উচু-নিচু ফসলের মাঠে-ঘাটে
অনেক ঘুরেছি আমি; রুপসা,ধানসিঁড়ি, আত্রাই, তুলসীগঙ্গার তীরে তীরে
সেখানে ছিলাম আমি;হাজার বছর ধরে বৈচিত্র্যমময় বাংলার পথে-প্রান্তরে
আমি বিষন্ন প্রান এক;চারিদিকে কুসংস্কার জর্জরিত সমাজ
আমারে একদন্ড শান্তি দিয়েছিল নওগাঁর স্বপ্নবিলাসী।
মুখ তার নবীন সভ্যতার স্থাপত্য শৈলী;অভিঞ্জ নাবিক যে বীচে নোঙর ফেলে দিক্ ভ্রান্ত হয়ে
তখন সে দেশের শস্যময় প্রান্তরের ছবি চোখে দেখে-বদ্বীপের ভেতর
একবার দেখেছি তারে আধো-আধো অন্ধকারে;
বলেছে সে ‘এতকাল কোথায় ছিলেন’?
ফসলের নীড়ের মতো চোখ মেলে নওগাঁর ‘স্বপ্নবিলাসী’।
সমস্ত দিনের শেষে কুয়াশার শব্দের মতন
সন্ধ্যা হয় চারিদিকে;ধূসর পাখনায় রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে শঙ্খ চিল
পৃথিবীর সব প্রদীপ নিভে গেলে কবিতার
পান্ডুলিপি খুঁজি আমি অন্ধকারে
তখন গল্পের আসর জমে উঠে
লেবুর ঝোপে জ্বোনাকির আলোয়;
পৃথিবীর সমস্ত পাখি-নীড়ে আসে-সমস্ত নদী-সমস্ত মানব-মানবীরা ফুরায়--
এই জীবনের ভালবাসার লেনদেন;
থাকে শুধু অন্ধকার চারিদিকে; মুখোমুখি বসি নিবিড় হয়ে
আমি আর তুমি,তুমি আর আমি,পেঁচার অন্ধকার পথে
হাজার যুগের ভালবাসা বুকে জড়িয়ে ‘স্বপ্নবিলাসী’।

মোঃ শহিদুল ইসলাম। নওগাঁ