অটোয়া, বৃহস্পতিবার ৩ এপ্রিল, ২০২৫
শীতল চট্টোপাধ্যায়’র দু’টি কবিতা

হয়তো
মুনার জলে মমতাজ স্বর 
হয়তো শুনত রাধা,
হয়ত কৃষ্ণ বাঁশির মতোই
মমতাজও সুরে সাধা৷
রাধা কী দেখেছে কৃষ্ণাভরণ
বোরখায় মমতাজ,
দেখলে বলত- এসো 'মমতাজ'
পাতালাম সই আজ৷
রাধা-মমতাজ মন জুড়ে হতো
আর এক যমুনা নদী,
যে যমুনার স্রোত বইত
কালে-কালে নিরবধি৷
তবু যে জলের যমুনা বইছে
ছুঁয়ে-ছুঁয়ে দুই পার,
হয়ত রাধা- মমতাজ ছোঁয়া
স্মৃতি ভাসে বুকে তার৷

পাথুরে কিশোরী
রুখু ধূসরতায় পাহাড় পাড়া৷
প্রস্তর প্রকৃতি সঙ্গিনী চেনা যেখানে৷
ওপরে কিছু পাখি, মেঘ ওড়ে,
নিচে পাহাড়ের গোড়া কেটে
পাহাড় টুকরো বিক্রি করে
পাহাড় গাঁয়ের মানুষরা৷
ওদের শরীর ঘামতে ভুলে গেছে
পাহাড় সান্নিধ্যে৷
পাথর আর পাথুরে মনের
এক কঠোর-কর্কশ বোঝাপড়া৷
অনেক দূরে যে পাহাড় থেকে
একটা ক্ষীণ ঝর্ণা ধারা নামছে,
ওখানে লুকিয়ে দাঁড়ায়
একাকী এক পাথুরে কিশোরী৷

শীতল চট্টোপাধ্যায়
জগদ্দল, উত্তর ২৪ পরগণা
পশ্চিমবঙ্গ, ভারত