জহুরুল ইসলামের তিনটি কবিতা
সুখের অতলে
যখন বাতাস গায় মাখে
এ ঝরা পাতার সুখ,
আমি হই বিভোল বাতাস;
পৃথিবীর প্রান্ত ছুঁই সবুজ দিগন্তে।
ঠাঠা রোদ্দুরে যখন হেঁটে যাই দূরে,
তখন মনের আঙিনায়
সুখ কুড়াই প্রচুর।
সুখানন্দে ভাসি-
পূর্ণিমা রাতের মতো।
ডুবে যাই সুখে-
সেই সুখের অতলে।
রজনী
এখানে রজনী শুয়ে থাকে
রজনীর মতো।
নিশ্চিন্তে শুয়ে থাকে সে
সারারাত।
অমল চাঁদের আলো এসে
সাথী হয়,
সাথী হারা নীরব রজনী।
দেহ তার শুয়ে থাকে পৃথিবীর দেহে
ঘাসের শরীরে,
এ রজনী যেন চায় অনন্ত রজনী।
অকূল সাগরে
নোনা জলে ভেসে যাই- অলীক বন্দরে,
অবিরল ভাসি।
বুকের পাঁজর ঘেঁসে তরী ছুটে আসে,
ফেলে রেখে চলে যায় দূরে।
একরাশ নীল-
বুকের পাটার পর এসে বসে থাকে।
তবু ভেসে থাকি
দূরের পথের দিকে চেয়ে।
ঘোর অন্ধকার আসে- গোপন আকাশে,
চাঁদের মতোন মুখ
ভেসে ওঠে- আর-
তখন সে পথ চিনে চলি
অকূল সাগরে-
জহুরুল ইসলাম
মির্জাপুর, দাপুনিয়া
পাবনা সদর, পাবনা
-
ছড়া ও কবিতা
-
16-01-2021
-
-