অটোয়া, বৃহস্পতিবার ৩ এপ্রিল, ২০২৫
আব্দুল আজিজ’র কয়েকটি কবিতা

তাহারা ও আমি
মি আমার পানে চাহিয়া 
তাহাকে ভাবিয়া বড় অন‍্যায় করেছি
সে আমার চেয়ে বেশ বড় ভেবে ভেবে
অযথাই বিনিদ্রায় রাত জাগিয়াছি।

তাহার নামে কলম ধরার শক্তি সাহস
কার আছে জানি না। আমার নাই
এহেন সন্মান শ্রদ্ধায় কূর্ণিশ করিয়া
আমি অনেক বড় বেকুব হয়েছি।

নীতি চোরকে অন্ধ ভক্তিতে ভেবে মহৎ
কত সন্মানিকে আপমান অপদস্ত করেছি
আমি সরলতার দুর্বলতাকে কাজে দিয়ে
সৎ মহৎ সরল কে কলঙ্কের দাগ একেছি।

অমানুষ যে মানুষের খোলসে থাকে তা 
অনেক বড় ক্ষতির পরে  বুঝতে পেরেছি
স্বার্থপরদের সাথে সখ‍্য করে। নিজেকে
অন্ধকারে ঠেলে দিয়ে নব প্রভাত খুঁজেছি।

পথ হারা অঞ্জলি
জীবনের সব কষ্ট 
ধোঁয়ার সাথে উড়িয়ে দেয়া যায় না
মনের সব কষ্ট 
অশ্রু জলের সাথে ঝরেও যায় না।

জীবনের সব স্মৃতি 
সারাজীবন বয়ে বেরানো যায় না।
জীবনের অখন্ড স্মৃতি
চাইলেই আলাদা করা যায় না।

মানুষ বলতেই 
সব মানুষের মানুষত্ব থাকে না।
বিত্তহীন বলতেই
সব গরিব মানুষ অমানুষ হয় না।

পুষ্প হলেই 
সব পুষ্পে যেমন সৌরভ থাকে না।
বিত্তশালী হলেই
সব বিত্তশালীর মন বড় হয় না।

মনের জমাট কথা
চাইলেই কারো কাছে বলা যায় না।
কবিতায় বলা কথা
হয়তো কবিতা বলে মুল‍্যায়িত হয় না।

রাত জাগা পাখি
খোপায় তুলি 
তুলি আর খুলি
স্নিগ্ধহীন নিষ্প্রাণ
আধা শুকনো গোলাপ।

খোপায় দিলেও মনে পরে
হাতে নিলেও মনে পরে।
অসুন্দরকে ভালবাসা
শিখিয়ে দিল যতনে প্রলাপ।

সন্ধা রাত পার করা ছিল
বেশ ধন‍্য ধন‍্য আনন্দের।
এখন মাঝ রাতেও বিনিদ্র
কল্পনা, সুখ উড়ায় মনের।

যার নেই কেহ 
তার সব আছে, এটাই ঠিক।
যার একজন আছে
সে বেঁচে থেকেও মৃতের প্রতিক।

গোলাপ তুই যা চলে
কল্পনা থেকে মুক্তি দে।
নিদ্রা কোথায় গেছে চলে
এই চোখে ঘুম এনে দে।

আব্দুল আজিজ
ঢাকা, বাংলাদেশ