অটোয়া, বৃহস্পতিবার ৩ এপ্রিল, ২০২৫
যন্ত্রণা - ড. সহদেব বন্দ্যোপাধ্যায়

যে মেয়ে দেখেছে তার 
ছেলেবেলা, 
দেখেছে মেয়েবেলা,
একটু একটু করে 
খুব,খুব আপন করে দেখেছে
কিভাবে এলো-
কৈশোর - তারুণ্য - যৌবন ,
কত রঙ বদলের উদয় - অস্ত
প্রতিদিনের জীবন-পাতায় 
নৈবেদ্যর ডালি সাজিয়ে  
পল্লবিত করেছে গোধূলির রাগ!
বাগানে এসে প্রজাপতি 
তার ঠোঁটে-গালে মেখেছে মধু!
আমার জানালা খোলা ছিল-
তোমার খোলা হাওয়া
আমার আঙুল ছুঁয়েছে!
খাতার স্বপ্নগুলো পাতা উল্টে
একে একে সব দাগ দিয়ে গেছে। 

আজও আমার জানালা খোলা-
কে যেন বলে গেল 
কিসব আঁকিবুকি থাকতে এসেছে
আমায় ভালোবেসে - আমার ভেতর,
এখন তোমার খোলা হাওয়া 
আমার ঘরে আসেনা- 
আমার আঙুল ছুঁয়ে 
এখন শুধু রসায়নের খেলা-
আমি এখন উদয়ে অস্ত দেখতে পাই!
ভেতরের দাগগুলোর যন্ত্রণাকে
আমিও কেমন যেন আপন করে নিয়েছি,
আসতে পারতে তুমি - আজ
একবার দেখে যেতে 
আমার চোখে আঁকা 
তোমার স্বপ্ন - 
রসায়নে কেমন ফিকে হয়ে গেছে,
প্রজাপতির পাখা আজ স্থির,
এলে তোমায় বলতো- 
আমার নীল আঙুল 
মধ্যগগনে কেমন করে 
শুরুর মতো একটু একটু করে
আমি দেখেছিলাম-
আমার শেষবেলা!

ড. সহদেব বন্দ্যোপাধ্যায়
কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ