অটোয়া, বৃহস্পতিবার ৩ এপ্রিল, ২০২৫
সুমেরীয় সভ্যতা - শর্মিষ্ঠা বিশ্বাস

পাথরের ফলকে লেখা আছে তার নাম।
বিচক্ষণ পাঠক, মাপ করবেন। আপনি স্থির বলে, যুগসন্ধিক্ষণে বারংবার উদাহরণমালা থেকে আসা কঠিন একটা অঙ্ক হন বলে, আপনাকে পাহাড় বলিনি। 
এখানে এখন ও তখন-এর কম্পেয়ারিজমে সুমেরীয় শব্দে বাল্মিকী মুনি আসেন শ্রুতিপাঠে।
কবির কাজটা যে, কি কঠিন! আস্ত একজন মারীচকে সোনার হরিণ করে তার গর্ভে লোভ,কামনাকে কি অবলীলায় ইমপুট দিয়ে দিলেন!
আর তারপর থেকেই কাম্যক বন আরও কাছে চলে এলো। ঢুকে গেলো মানুষের মনে।
মহামতি রাবনের বংশের কৃতী সন্তানদেরকে স্বজনহন্তক বলা কি খুব প্রয়োজন ছিলো বাল্মিকীর?

আর্যবন্দনা করি চলুন।   
ওই যে দূরে,নদীকে ভরাটের কাজ চলছে। দু' পাড়ের জনপদে শিল্পের আবরণে সুপ্ত হয়ে গেছে আমাদের সংস্কৃতি। লরি কে লরি বালির স্তুপ!
জলের উৎসভূমি যে পাতাল,যে মেঘ,যে বায়ু,তারা সব বিশ্বামিত্রের হাজার অনুচর হয়ে ঘুমিয়ে পরেছে মাদ্রি- উপত্যকায়।
দৈর্ঘ্য ও প্রস্তে নদীর মাপঝোঁক চলছে। কত বাই কত হলে বহমানতা , একটা আস্ত থর হয়ে যাবে, মানুষ সময়ে- অসময়ে কেঁদে যাবে মরুভূমির প্রখর গ্রীষ্মের স্থিতিশীল জড়তার কাছে, এসব তারই আয়োজন।
তপোবনে আশ্রম বালকেরা মালিনীর তীরে যূপকাষ্ঠে চকখড়ি দিয়ে লিখেই চলেছে হাজার বছরের যাযাবরের স্বর্গরাজ্যের পারিজাত গদ্য। 

ধূপগন্ধী গাঢ় অন্ধকার রাত!    
গভীরতর কোনো কোনো রাতে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মূল ফটক পাহারা দেয় আর্যগণের কোনো কোনো পালকপুত্র। পালিতা কন্যার মত করে মানুষের ঠিকানায় পাঠিয়ে দেওয়া নদীটি রাজা দূষ্মন্তের ভুলে যাওয়া হৃদয়ের কাছে মরুভূমি হয়ে যাবে বলে কন্ম মুনির আশ্রম আজ নিখাদ সুমেরীয়-গদ্যের পাঠশালা।।  

শর্মিষ্ঠা বিশ্বাস
 ওয়েস্ট বেঙ্গল, ইন্ডিয়া।