অটোয়া, বৃহস্পতিবার ৩ এপ্রিল, ২০২৫
বটু কৃষ্ণ হালদার-র দু’টি কবিতা

নারী

সুবিচারের আশায় নারী প্রাচীন পৌরাণিক যুগের সময় হতে আজও
উপেক্ষিত আজও দুই সতী সীতা ও দ্রৌপদী
বর্তমানে নারী ভোগ্য পণ্য আমদানি রপ্তানির বিলাস বৈভবের চিহ্নমাত্র
ঘটা করে কুমারী পূজা বরণ
তার সামনে মাথা নিচু করে মনস্কামনা পূরণের প্রার্থনা
সবই লোক চক্ষুর সম্মুখে ভ্রষ্টাচার প্রহসন
রেহাই পায়নি ,দুধের শিশু ,মাঝবয়সী এমনও ষাটোর্ধ্ব নারী হয় বেআব্রু।
লোক দেখানো মোমবাতির মিছিলে পদার্পণ
লেলিহান শিখার মাঝে লুকিয়ে থাকে শিকারি র নীল চোখ।
আধুনিক সভ্য সমাজের অর্জুনরা  আজ নির্বিকার অবিচল।
আজও নারীর জীবন পরের তরে বিলীন
জীবনের অতি মনোরম সুখকর ফুলশয্যার রাতে ও ভয়ঙ্কর বিভীষিকার হাতছানি
চোখের জলে ভিজে যায় বালিশ গভীর রাতের নীরব কান্নায়
পণপ্রথায় আত্মহুতি নারী, অ্যাসিড হানার যন্ত্রণা মুখ লুকায় মানবিকতার দরবারে।

প্রেম তুমি আজও কাঁদো

প্রেম তুমি আজও কেনো কাঁদো?
নীরবতার আড়ালে ঢেকে রাখো মুখ
তোমার নিরবতা মেপে সুখ পায় দিগন্ত।
প্রেম তুমি নিরবে দাঁড়িয়ে ছিলে লাল দীঘির পাড়ে, দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবকাশ গগনচুম্বী
কেউ হাত খানি শক্ত করে ধরবে বলেছিল, তাই তো।
আসলে তুমি জানতে ও আসবে না তোমাকে ছুঁয়ে দেখতে একবার
সাহস করে জাত ধর্মের গণ্ডি তুমি পার করেছিলে, কারণ তুমি করেছিলে প্রেম।
মুখ ঢেকে তাই আজও তুমি কাঁদো।

বটু কৃষ্ণ হালদার ।  কবরডাঙ্গা, কলকাতা