অটোয়া, বৃহস্পতিবার ৩ এপ্রিল, ২০২৫
তখন ই কষ্টটা আর বুঝাবেকই নাই - হরেকৃষ্ণ দে

টতল টায় তরা আবার বসেছুস!
মাইরি বলছি তরা ঘরটাতে বসতে শিখ,
শুনতে পাচ্ছুস নাই হুড়হুড়ায় আসা করোনার বিকট গলা?
যখন গলাটা চিমটায় ধরে থাকবেক,
তা বাদে কাশায় কাশায় নাজেহাল করবেক,
তাবাদে ফুসফুস ট টিপে ধরে থাকবেক,
তখন ঠিকিই বুঝে যাবি,তার এগুতে লয়!

জনতা কার্ফুর কথা টো উড়াই দিলি তরা--
তাসে আর বিড়ির আড্ডায়,
বুঝলি নি জীবনের লড়াইটা লড়তে হবেক ঘরের ভিত্রে থাক্যেই৷

সরকারের কথা ট মানেএ চলতে শিখ নঅ একটু
অত ফুটানি মারাস না, এখন ঘোর সতরে থাকার সময় ইটা,
সাবান লাগাতে হবেক হাতে ঠিক খাতেএ বসার আগে আর দোকান বাজার করে আলেই৷

মাইরি বলছি 
তরা বটতলাটা ছাড়েএ দে এখন এই কটা লকডাউন দিন গুলাতে,
একটু ভয় করতে,
ভয় পেতে শিখতে হয়৷
কখন যে কিভাবে ভাইরাস টা চলে আসবেক তা জানতেও লারবি, 
তখন ভয়ে সিটাই যাবি৷

করোনাকে মারার একটাই ফন্দি সবাইকেই লিতে হবেক যেটা সরকার টিভিতে খবরের কাগজে হাজার বার করেএ বলছে--
ঘরে থাক, ভালো থাক৷
ঘরে থাকতেই তদের যত জ্বালা!
আর এই ঘরে থাকার জ্বালা ট একটু সহ্য করতে পারলেই নঅ উতরে যাব আমরা সবাই,
জিতে যাবেক লড়াইয়ে গোটা ভারত টা৷

আবার যেমনি ছিলম তেমনি পারাই থাকব,
বটতলায় বসে গজ্জোলা করব,মোড়ের চা দোকানে ঠুসে আড্ডা মারবো...
তখন ই কষ্ট টা আর বুঝাবেকই নাই৷ 

হরেকৃষ্ণ দে । বাঁকুড়া, পশ্চিমবঙ্গ