অটোয়া, মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর, ২০২০
রহস্যের মায়াজাল ( দশ ) - সুজিত বসাক

রাকিব বলল —আমার মনে হয় ওপথে গুপ্তধন নেই।
—এগজ্যাক্টলি , ওটা আসলে মরণফাঁদ। আমি কিছুটা গিয়েই বুঝতে পেরেছি। তাছাড়া ইন্জিনিয়ার বেগের নির্মাণ শৈলী লক্ষ্য করে দেখেছি, সবসময় একটা চমক দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। সবাই যেমন ভাববে বা ভাবতে পারে তিনি যেন তার উল্টোপথে ভাবার চেষ্টা করেছেন। তাঁর মতো করে যদি ভাবার চেষ্টা করি, আমার অনুমান, এখানে আরও এমন কিছু অবশ্যই আছে, যেটা আমাদের আসল পথের সন্ধান দেবে। সম্ভবত আসল ম্যাপটা আর নেই। আবার এমনও হতে পারে, ইন্জিনিয়ার বেগ কোন ম্যাপ তৈরিই করেননি। সবকিছুতেই তিনি গতানুগতিকতার বিরোধী ছিলেন বলেই মনে হয়। ভবিষ্যতের কোন বুদ্ধিমান মানুষের বুদ্ধিমত্তার কাছে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে রেখেছেন। 

হঠাৎ রাকিবের চোখ দুটো উজ্জ্বল হয়ে উঠল। বেশ উত্তেজিত ভাবেই বলে উঠল — গোলাপের সাথে খুব কাছে কী থাকে মিঃ স্মিথ?
স্মিথসাহেব কিছুটা আনমনেই বলে ফেললেন — কাঁটা …।
—ইয়েস। একদম ঠিক। এবার স্ট্যাচুটার পায়ের তলাটা লক্ষ্য করে দেখুন তো …কিছু দেখতে পাচ্ছেন?

স্মিথসাহেব কিছুটা ঝুঁকে স্ট্যাচুর বাঁ পায়ের তলাটা দেখলেন। সেখানে বেশ কয়েকটি কাঁটা বেঁধানো। কাঁটা গুলো ধরে টানতেই সেগুলো খুলে গেল। সেই সঙ্গে মূর্তিটাও নব্বুই ডিগ্রি অ্যাঙ্গেল করে ঘুরে গেল। সেই জায়গায় একটা অন্ধকার গর্ত তৈরি হল। টর্চের আলো ফেলতেই দেখা গেল, একটা ঘোরানো লোহার সিঁড়ি নীচে নেমে গিয়েছে।‌ স্মিথসাহেব চেঁচিয়ে উঠতে গিয়েও নিজেকে সংবরণ করলেন, চাপা গলায় বললেন — ইউ আর জিনিয়াস …ইয়ংম্যান। যে কাজ আমি এতদিন ধরে করে উঠতে পারিনি, সেটা তুমি এক নিমেষে করে দেখালে, আমি তোমার কাছে চির কৃতজ্ঞ থাকব।
তারপর গলার স্বর পাল্টে হঠাৎ বলে উঠলেন — কিন্তু তোমার দুর্ভাগ্য বন্ধু …এরপরে তো তোমাকে আর সঙ্গে নিতে পারছি না। এখানেই তোমার সাথে আমার পথ চলা শেষ।

স্মিথসাহেবের হাতে উদ্যত পিস্তল। রাকিব কিছুটা ভেবেছিল, কিন্তু এতটা ভাবতে পারেনি। তবে ভয় পেল না রাকিব। বিপদের সময় তার মাথা ভালই কাজ করে, বহুবার তার প্রমাণ পেয়েছে। 
সাহস করে বলল — এ ধন আপনার নয় মিঃ স্মিথ। এটা এই রাজবংশের সম্পদ, এসব ওদেরই প্রাপ্য। হ্যাঁ, আপনি চাইলে একটা অংশ পেতে পারেন। আমি মহারাজকে বলে সে ব্যবস্থা করে দিতে পারি। 
ক্রুর হাসি হাসলেন স্মিথসাহেব — আমাকে কী অতটাই বোকা পেয়েছ ইয়ং ম্যান? আগে নিজে প্রাণ নিয়ে ফিরতে পার কিনা সেটা নিশ্চিত করো, তারপরে আমার কথা ভেবো।

রাকিব কিছু বলতে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই ঘটে গেল এক অভাবনীয় ঘটনা। মুখোশ পড়া একজন বেরিয়ে এল সামনে। সজোরে সে আঘাত করল স্মিথসাহেবের হাতে। তারপরে মাথায়। স্মিথসাহেব লুটিয়ে পড়লেন মাটিতে। হাতের ইসারায় মুখোশধারী রাকিবকে পালিয়ে যেতে বলল। কিন্তু রাকিব ভয় না পেয়ে সুযোগ খুঁজতে লাগল পাল্টা আঘাত হানার। এই গুপ্তধন সে কিছুতেই লুটেরাদের হাতে যেতে দেবে না, তাতে প্রাণ গেলে যাবে।
হঠাৎ মুখোশধারী বিশেষ এক কায়দায় এমন ভাবে আওয়াজ করল, রাকিবের মনে হল কেউ যেন পিছনে এসে দাঁড়িয়েছে। মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ব্যাপার, রাকিব পিছন ফিরে তাকাতেই মুখোশধারী ঝাঁপিয়ে পড়ল তার উপর। সজোরে আঘাত করল রাকিবের বুকে, তলপেটে। বিকট শব্দ করে ভূপাতিত হল সে। জ্ঞান হারাবার আগে সে দেখল, আরও কেউ একজন ঠিক তার পাশে এসে দাঁড়াল।
বহুক্ষণ পর যখন জ্ঞান ফিরল রাকিব বুঝে উঠতে পারল না, সে এখন কোথায়? চারদিকে শুধু নিকষ কালো অন্ধকার। পকেট হাতড়ে পেয়ে গেল ছোট টর্চটা। সেটা জ্বালিয়ে দেখল এটা সেই ঘর নয়। তার মানে ওরা তাকে টেনে হিচড়ে এখানে এনে ফেলে রেখেছে। ভীষণ অসহায়বোধ হল রাকিবের। এই অন্ধকার পাতালপুরী থেকে বেরিয়ে যাবার রাস্তা তার জানা নেই। তার কপালে কী অপেক্ষা করে আছে ঈশ্বরই জানে। কিছু একটা হলে বাইরের পৃথিবীর মানুষ ঘূণাক্ষরেও জানতে পারবে না তার সেই পরিনতির কথা। ঠিক সেইসময় ভেসে এল একটা ক্ষীণ আওয়াজ — তুমি ঠিক আছো রাকিব?

মহাবিদ্রোহ থেকে বৃটিশরা উপলব্ধি করেছিল, ভবিষ্যতে গণ আন্দোলন বা গণ বিদ্রোহ ঘটলে বন্ধু দেশীয় রাজ্যগুলোই সাহায্য করতে এগিয়ে আসবে। এই উদ্দেশ্যে দেশীয় রাজ্যগুলির সঙ্গে বন্ধুত্ব বাড়ানোর নীতি গ্রহণ করে। অন্যদিকে দেশীয় শাসকবৃন্দ স্বশাসনের সুবিধা ভোগ করলেও বৃটিশ শাসনের নিরঙ্কুশ আধিপত্য অস্বীকার করতে পারেননি। তাদের এই আনুগত্যের বিনিময়ে তারা নিজ নিজ রাজ্যের আভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ দমনে, বিশৃঙ্খলা বা বাইরের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে বৃটিশ প্রশাসনের সাহায্য লাভ করতেন।
বীরেন্দ্র প্রতাপ বললেন — আমার পিতামহ জ্যোতিরিন্দ্র প্রতাপ মহাবিদ্রোহের সময় বৃটিশ সরকারকে সবরকম সাহায্য করেছিলেন। তারপর থেকে ইংরেজদের সাথে কুঞ্জবিহার রাজ্যের মিত্রতা গড়ে ওঠে। সেই মিত্রতা দীর্ঘকাল অটুট ছিল। আমার রাজত্বকালেই প্রথম হোঁচট খেল। 
রাকিব অবাক হয়ে বলল — কীভাবে?
—ভাইসরয় কোনও কারণে আমাকে সন্দেহের চোখে দেখা শুরু করেছেন। ওঁর ধারণা আমি গোপনে জাতীয়তাবাদীদের মদত দিচ্ছি। নানা অজুহাতে আমার রাজ্যে হস্তক্ষেপ করছেন। রেসিডেন্ট হিসেবে পাঠিয়েছেন টনি লুইসকে। লুইসের অভব্য আচরণে তিক্ততা আরও বেড়েছে। আমি ওদের বোঝাতে ব্যর্থ, এসব করে আমার কী লাভ?
রাকিব ব্যথিত হয়ে বলল — তার মানে আপনি জাতীয়তাবাদী বিপ্লবীদের পছন্দ করেন না।
—ব্যাপারটা পছন্দ অপছন্দের নয়। ব্যাপারটা নীতিগত। আমরা বৃটিশদের কম বেশি সাহায্য নিয়েছি, তাই আমরা দায়বদ্ধ। বিপ্লবীরা নীতিগতভাবে মুক্ত, ওরা যা খুশি করতে পারে। 
—দেশটা তো আপনারও। বৃটিশরা কী যথার্থ নীতি মেনে চলে?
—তা ঠিক। কিন্তু আমি অসহায়। বেইমানি আমার রক্তে নেই। তাছাড়া বিপরীতে যাওয়ার অর্থ আপনি ভাল করেই জানেন। বৃটিশরা ইচ্ছে করলে এক নিমেষে এই রাজ্য গ্রাস করে নিতে পারে। 
রাকিব বলল —বাংলা এখন জ্বলছে। বাংলাকে থামাতে বৃটিশ সরকার রাজধানী সরিয়ে ফেলল দিল্লিতে।
—শুনেছি সব। বাংলার বহু সাহসী ছেলের প্রাণ গেল। খুব কী লাভ হয়েছে?
—তবু একটা শুরু দরকার ছিল। কোন রক্তই বিফলে যায় না। 
—তা হয়তো ঠিক। একদিন এর প্রতিফল দেবে সময়। সত্যি কথা বলতে মুখে যাই বলি, একটা অপমান বোধ কুড়ে কুড়ে খায়। বৃটিশরা এতটাই অপ্রতিরোধ্য আর শক্তিধর যে, চুপচাপ সব সহ্য করতে হয়। একে মিত্রতা বলে না জানি, তবুও মিত্র সেজে অভিনয় করে যেতে হচ্ছে।

রাকিব আর কথা বাড়াল না। একজন অসহায় মহারাজের ভেতরটা পরিস্কার দেখতে পেল। রাজনৈতিক যাঁতাকলে এই রাজ্যের স্বাধীনতাকে পেষণ করছে ইংরেজ সরকার। বৃটিশদের পুতুল হয়ে একজন স্বাধীনচেতা মহারাজা কতটা ভাল থাকতে পারেন তা সহজেই অনুমেয়। 
প্রসঙ্গ পাল্টে বলল —অ্যালান স্মিথ সম্পর্কে একটা কথা বলার ছিল। জানি আপনি কষ্ট পাবেন, তবু বলতেই হচ্ছে। 
মহারাজা অবাক হয়ে বললেন —কী কথা?
রাকিব আনুপূর্বিক স্মিথসাহেবের সঙ্গে ওর পাতালপুরীর অভিযানের কাহিনী শোনাল। সব শেষে বলল—ভাগ্যিস হীরুদা যথাসময়ে পৌঁছে আমাকে রক্ষা করেছিল, নইলে হয়তো ওখানেই আমাকে মরে পড়ে থাকতে হতো। লোকটা বিশ্বাসঘাতক। দশ বছর ধরে উনি যে জিনিসের সন্ধান করে যাচ্ছেন বোধহয় সেটা পেতে আর বেশি দেরি নেই। 
—উনি এখন কোথায়?
—জানি না। বোধহয় কোথাও আত্মগোপন করে আছেন। তবে ওই গুপ্তধন উনিও সহজে পাবেন না। যা বুঝেছি তাতে আরও কোনও তৃতীয় পক্ষ আছে। ওরা স্মিথসাহেবকেও আক্রমণ করেছিল। মুখোশ পড়া কেউ। হয়তো সেই হত্যা করেছে ধীরেন্দ্র প্রতাপ ও মায়াকে।
—দাঁড়ান…দাঁড়ান …সব কেমন গুলিয়ে যাচ্ছে। আপনি বলতে চাইছেন আমাদের এই প্রাসাদের নীচে কোন পাতালপুরী আছে এবং সেখানেই লুকানো আছে কোন গুপ্তধন? স্মিথ সাহেব আপনাকে কেন নিয়ে গিয়েছিলেন ওখানে?
—এমনও হতে পারে পুরোটাই ওঁর গেম প্ল্যান। আমার বুদ্ধির টেস্ট নিয়ে, একটা নাটক তৈরি করে আমাকে ওখানেই শেষ করে দেওয়ার একটা চেষ্টা। কারণ এই বিষয়ে আমার বেশি জানা হয়তো ওনার মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছিল। 
—আপনি এসবে জড়িয়ে ভুল করেছেন রাকিব। এই ষড়যন্ত্রের মধ্যে পড়ে আপনার প্রাণ বিপন্ন হতে বসেছিল।
—আমি ঝুঁকি নিতে ভয় পাই না। আমার ভয়, স্মিথসাহেব যদি সত্যি সত্যি কিছু পেয়ে থাকেন তাহলে সেটা গোপনে পাচার করে দেবেন। সেটা ঠেকানো দরকার। 
—কিন্তু কীভাবে?
—সেটাই ভাবছি। একটা মতলব মাথায় এসেছে। তবে আপনার সহযোগিতা চাই। সেজন্যই মূলত আপনার কাছে আসা।
—বলুন কী সাহায্য চাই …এক্ষুণি ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।
—আমার দুজন বিশ্বস্ত গুপ্তচর চাই। যা বলব তাই করবে, কোনও প্রশ্ন করতে পারবে না। 
—এ আর বেশি কথা কি। আমি শ্যামলাল আর কিন্নরকে বলে দিচ্ছি। ওদের মতো বিশ্বস্ত পাবেন না। কাজেও পটু। ওরা আপনার নির্দেশ যথাযথভাবে পালন করে দেবে।

আজ আকাশ পরিষ্কার। বোধহয় পূর্ণিমা। ঝলমলে জ্যোৎস্নায় চরাচর ভেসে যাচ্ছে। মায়াবী রাতটাকে আরও বেশি রহস্যময়ী লাগছে। এই রহস্যঘন রাতে রহস্যময় অতিথিদের আনাগোনা হয়তো আরও বাড়বে, তাই রাকিব সবরকম সতর্কতা নিয়েই এসেছে দীপঝিলের ঘাটে। একটুবাদেই হীরুদার আসার কথা। ওকে নিয়ে ওপারের মৃত্যুবনে যাবে রাকিব। রহস্যের গিট কোন ভাবে না কোন ভাবে মৃত্যুবনের সাথে আটকে আছে। সেই জট খুলতে যেতে হবে ওই বনে। সে একাই যেতে চেয়েছিল। হীরুদা বাঁধা দিয়েছে। তার মতে, একা যাওয়া নাকি আর নিরাপদ নয়। কথাটা ফেলতে পারেনি রাকিব। চুপিচুপি একটা ছায়ামূর্তিকে আসতে দেখে নিশ্চিন্ত হল। হীরুদার সময় জ্ঞান প্রখর। কাছে এসে দাঁড়াল সে। হাতে একটা থলের মতো।
রাকিব ফিসফিস করে বলল —কেউ দেখেনি তো?
রাকিবকে যার পর নাই অবাক করে দিয়ে একটা নারী কন্ঠ বলে উঠল —আপনি নিশ্চিন্ত থাকুন রাকিব, কেউ দেখেনি আমাকে।
রাকিব তোতলাতে থাকে—আ…আ…আপনি কে?
কয়েক মূহুর্তের জন্য সে মুখের পর্দা সরিয়ে দিল। ভরা জ্যোস্নার আলোয় রাকিব অবাক হয়ে দেখল, তার সামনে যেন এক পরী দাঁড়িয়ে আছে। এমন রূপ কোনদিন দেখেনি রাকিব। অভিভূত হয়ে গেল সে। সামনের বছর পনেরো ষোলর তরুনীটি আবার মুখ ঢেকে মিষ্টি গলায় বলল — আমি রাজকুমারী শুভ্রাজিতা।
—রাজকুমারী শুভ্রাজিতা! কিন্তু আপনি তো …
—মামার বাড়িতে ছিলাম, তাই তো? কাল ফিরেছি। আসলে মায়াদিদির পরিনতির কথা শুনে আর ঠিক থাকতে পারিনি। মায়াদিদি আমাকে ও আমার ভাইবোনদের দেখাশোনা করত। নিজের দিদির মতোই ভালবাসত আমাদের। ওর এভাবে মৃত্যু কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না আমি। ওর হত্যাকারীকে খুঁজে বের করার জন্য আপনি চেষ্টা করছেন শুনে সহায়তা করতে চলে এলাম। হীরুদা বাঁধা দিয়েছিল, আমি শুনিনি।

রাকিব বিব্রত বোধ করল। বলল —এসব কাজ আপনার নয় রাজকুমারী। আপনার কিছু হলে আমি মহারাজকে মুখ দেখাতে পারব না। আপনি ফিরে যান, আমি একাই চলে যাব ওপারে।
রাকিবকে অবাক করে দিয়ে রাজকুমারী শুভ্রাজিতা বলল—মায়াদিদি মৃত্যুবনে কেন যেত আমি জানি। মায়াদিদি আরও অনেক কিছু আমাকে বলেছিল। কিন্তু সেসবের অর্থ তখন বুঝতে পারিনি। এখন একটু একটু অনুমান করতে পারছি। সেসব আমি আপনাকে বলতে চাই, যদি কোনও কাজে লাগে আপনার?
রাকিবের চোখ দুটো উজ্জ্বল হয়ে উঠল। সেই সঙ্গে এটাও মনে হল, রাজকুমারীকে এভাবে পাঠানোর পিছনে হয়তো হীরুদারও কোন উদ্দেশ্য আছে। রাজকুমারীর সাথে দিনের বেলা কথা বলার কোন সুযোগ নেই রাকিবের। মহারাজাও অনুমোদন দেবেন না। সেক্ষেত্রে রাতের বেলাতেই একমাত্র সুযোগ। তাছাড়া নৌকাতে যেতে যেতে কথা বললে বাইরের কেউ শোনার ভয়টাও নেই। চলবে…

সুজিত বসাক। দিনহাটা, কুচবিহার