অটোয়া, শুক্রবার ২০ মে, ২০২২
প্রতীক্ষা - মুহাম্মদ আবদুর রহিম

ফুলে ফলে সুশোভিত ছিল বাগানগুলো
পাখির গান আর মৌমাছির গুঞ্জরণে মুগ্ধ হতো আগত সবাই।
সবুজে ঘেরা উদ্যানগুলো মুখর ছিল আমাদের পদচারণায়। 
ছিল কপোত কপোতির মধুর আলাপন,
বন্ধুদের আড্ডা, শিশুদের ছোটাছুটি আর প্রবীণদের গতিহীন ছুটে চলা।
শপিংমলে ছিল উপচে পড়া ভীড়
যেন সবাই ছেড়ে গেছে নীড়।
রাস্তা ছিল গাড়ির দখলে,
আর বাস- লঞ্চ গুলো ছিল লোকে লোকারণ্য।
এখনও বাগানে ফুল ফুটে
পাখি গান গায়, মৌ মাছি ঘুরে বেড়ায় ফুলে ফুলে।
কিন্তু, কোন এক অদৃশ্য শক্তি স্তব্দ করে দিল সব।
বিকেলের আড্ডা আর জমে না উদ্যান গুলোতে,
শপিংমলে ক্রেতা সমাগম হয়না আর, 
রাস্তা গুলো পড়ে আছে গাড়ি বিহীন নিষ্প্রাণ
যেন সাহারা প্রান্তর।
পাঠশালাতে পাঠদান বন্ধ, মসজিদ মন্দিরে বন্ধ উপাসনা। 
জানতে চাও, কার আগমণে বন্ধ এসব? 
এসব কিছু বন্ধ করলো মরণ ঘাতি করোনা।
একদিন মৃত্যুর মিছিল থেমে যাবে, থেমে যাবে করোনা,
কিন্তু, মানবজাতি শান্তি ফিরে পাবে কি?
পৃথিবী হবে মানুষের অভয়ারণ্য?

মুহাম্মদ আবদুর রহিম। কক্সবাজার