অটোয়া, শনিবার ২১ মে, ২০২২
রবীন্দ্রনাথের উত্তরসূরিদের সংবদ্ধ ইতিহাস – ড: সুবীর মণ্ডল

২২শে শ্রাবণ আমাদের জীবনে এক আবেগময়, বিষাদঘন দিন। রবীন্দ্রপ্রাণ দগ্ধ না হলে, আমাদের জীবনে রবিরশ্মিপাতে আলোকময় হত না। তিনিই তো সেই রবি, যিনি ২২শে শ্রাবণে আমাদের হৃদয় দুয়ারে এসে দাঁড়ান আর বলে যান "মোর লাগি করিয়ো না শোক"। শোকে যিনি অশোক, শোক-দুঃখে যিনি অনন্ত স্পর্শী, সেই বিশ্বকবির মহাজীবনের মহাপ্রয়ান দিবস উপলক্ষে আমার বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি। বিশ্বজোড়া সমস্ত মানুষকে, যে মহান মানুষটি একার কীর্তিতেই এতোগুলো বছর মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছেন, সে মানুষটির পরিবার-পরিজন সম্পর্কে আদৌ কি আমরা খুব বেশি কিছু জানি বা জানার কোন চেষ্টা করেছি? আজ মহান প্রয়াণ দিবসে (২২শে শ্রাবণ) কবির নিজস্ব পরিবার-পরিজনের ইতিহাস তুলে ধরার একটা ক্ষুদ্র প্রয়াস উপলক্ষে এই সংক্ষিপ্ত নিবন্ধটি। মৃণালিনী দেবী ও রবীন্দ্রনাথ তিন মেয়ে ও দুই ছেলে সহ মোট পাঁচ সন্তানের জনক ও জননী ছিলেন। বড় মেয়ে মাধুরীলতা (বেলা), বড় ছেলে রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর(রথী), মেঝ মেয়ে রেণুকা দেবী (রানী), ছোট মেয়ে মীরা দেবী (অতসী), ও ছোট ছেলে সমীন্দ্রনাথ ঠাকুর (সমী)।

(১) ১৮৮৬সালের ২৫ শেষ অক্টোবর রবীন্দ্রনাথের প্রথম সন্তান মাধুরীলতার জন্ম হয়। কবি গুরু তাঁকে আদর করে 'বেলা' বলেই থাকতেন। কখনও বা 'বেলী' ও বলতেন। রবীন্দ্রনাথের বিভিন্ন বর্ণময় লেখায় বিশেষত পত্রের সাহিত্যে 'বেলী' নামের উল্লেখ দেখা যায়। মাধুরীলতার মাত্র পনের বছর বয়সে, কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীর তৃতীয় পুত্র শরৎচন্দ্র চক্রবর্তীর সঙ্গে ১৯০১ সালের, জুলাই মাসের কোন একদিনে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। শরৎচন্দ্র চক্রবর্তী পেশায় ছিলেন একজন আইনজ্ঞ। মাধুরীলতা দেবী নিঃসন্তান ছিলেন এবং মাত্র ৩১ বছর ৬ মাস বয়সে ১৬ মে, ১৯১৮ সালে অকালে যক্ষ্মারোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান শ্বশুর বাড়িতে। 

(২)রবীন্দ্রনাথের দ্বিতীয় সন্তান এবং জ্যেষ্ঠ ছেলে রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্ম গ্রহণ করেন ১৮৮৮ সালের ২৭ নভেম্বর। ২১বছর ৭মাস বয়সে ১৯১০ সালের ২৭শে, জানুয়ারি  প্রতিমা দেবীকে বিয়ে করেন।বিবাহ কালে প্রতিমা দেবীর বয়স ছিল মাত্র ১৭ বছর। প্রতিমা দেবী জন্ম গ্রহণ করেন ১৮৯৩ সালে। প্রতিমা দেবী ছিলেন বিধবা। তাঁর প্রথম স্বামীর নাম ছিল নীলনাথ মুখোপাধ্যায়। রথীন্দ্রনাথের সঙ্গে প্রতিমা দেবীর বিবাহ, বিধবা প্রথার বিরুদ্ধে ঠাকুর পরিবারে প্রথম বিধবা বিবাহ। রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুর পর রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও প্রতিমা দেবী আলাদা হয়ে যান। তাঁরা নিঃসন্তান ছিলেন, কিন্তু একটি কন্যাসন্তান দত্তক নিয়েছিলেন। দত্তক কন্যাকে নন্দিনী বলেই ডাকতেন। রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৪মে ১৯৫১ থেকে ২২আগস্ট ১৯৫৩ পর্যন্ত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন। ১৩ জুন  ১৯৬২ সালে ৭২বছর ৬মাস বয়সে দেরাদুনে মারা যান। অন্যদিকে প্রায় ৭৬ বছর বয়সে, ১৯৬৯ সালে প্রতিমা দেবী মারা যান। 

(৩)রেণুকা দেবী, রবীন্দ্রনাথের তৃতীয় সন্তান এবং দ্বিতীয় কন্যা। জন্ম গ্রহণ করেন ২৩শে জানুয়ারি ১৮৯২ সালে। তাঁর ডাক নাম ছিল রানী। রানীর জন্মোপলক্ষে লেখেন, 'রাজা ও রানী'। রানীর বয়স যখন মাত্র ১০ বছর, বড়দিদি মাধুরীলতার বিয়ের দেড় মাসের মধ্যেই বিবাহ হয়ে যায়। এত কম বয়সে কন্যার বিয়ে দিতে  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রাজি ছিলেন না। কিন্তু মৃণালিনী দেবীর হিসেব ছিল অন্যরকম, সেদিনের সেই গ্রাম্য বালিকা জগৎ-সংসারের নিত্যদিনের  হিসেব-নিকেশে খুব পাকা হয়ে উঠেছেন, সংসারের আবর্তে থেকে ততদিনে তিনি বুঝেছিলেন, এই জগৎ-সংসার  সম্পর্কে তাঁর যেটুকু ধারণা, তাঁর স্বামীর ততটুকু ধারণা নেই। তাঁর স্বামী আত্মভোলা, সংসার উদাসী মানুষ, সদা ব্যস্ত থাকেন কবিতা, গান,নাটক রচনায়। সংসারের হাল-হকিকৎ নিয়ে  মাথা ঘামানোর সময় পান না। জমিদারি আয় ও কমতে শুরু করেছে। ভালো পাত্রের সন্ধান যখন পাওয়া গেছে, সেটা হাতছাড়া করা হবে চরম বোকামি। সেই কারণে মৃণালিনী দেবীর ইচ্ছাতেই ১৯০২ সালের আগস্ট মাসে সত্যেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য্য মহাশয়ের সাথে রেণুকা দেবীর বিয়ে হয়ে যায়। বিবাহের পর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রেণুকা দেবীকে নিজের বাড়িতে রেখে দেন, কথা ছিল সংসার করবার মত উপযুক্ত বয়স হলেই স্বামীর কাছে পাঠিয়ে দেবেন। কিন্তু স্বামী-সংসার শুরু করার আগেই রেণুকা দেবী ক্ষয়রোগে আক্রান্ত হয়ে ১৯০৩ সালের সেপ্টেম্বরে মাসে মারা যান। প্রিয়কন্যা 'রেণুকার' মৃত্যুতে কবি প্রচন্ড মানসিক আঘাত পেয়েছিলেন।

(৪) মীরা দেবী রবীন্দ্রনাথের কনিষ্ঠা কন্যা। ১৮৯৪ সালের ১২জানুয়ারি জন্ম গ্রহণ করেন। কবি আদর করে অতসী নামে ডাকতেন। প্রিয় কন্যাকে উপলক্ষ্য করে রচনা করেন গীতিনাট্য 'চিত্রাঙ্গদা'। ছোট কন্যার বিয়ে হয়, ১৯০৭ সালের ৬ই জুন। পাত্র নগেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়। মীরা দেবীর দুই সন্তান নীতিন্দ্রনাথ (নিতু) এবং নন্দিতা(বুড়ি)। পুত্র নিতু উচ্চশিক্ষার জন্য জার্মানিতে ছিল, সেখানেই ছাত্রাবস্থায় ১৯৩২ সালে মাত্র ২০ বয়সে ক্ষয়রোগে মারা গিয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথের তখন বয়স ৭১বছর। একমাত্র নাতির অকাল মৃত্যুর শোক তাঁকে সইতে হয়েছিল। কবির নাতনি নন্দিতার বিয়ে হয় সাংবাদিক ও লেখক কৃষ্ণকৃপালিনী মহাশয়ের সাথে। উনি 'দাদাশ্বশুর রবীন্দ্রনাথের' বায়োগ্রাফি লিখেছিলেন, যা প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৬২ সালে। কৃপালিনী দম্পতিও ছিলেন নিঃসন্তান। কন্যা নন্দিতার মৃত্যু হয় ১৯৬৭ সালে, ৫১বছর বয়সে। নন্দিতার মৃত্যুর ২বছর পর, ১৯৬৭ সালে শান্তিনিকেতনের শীতলছায়ায় রবীন্দ্রনাথের সর্বশেষ বংশধর মীরা দেবী, ৭৫বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

(৫) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পঞ্চম এবং সর্বশেষ সন্তানের জন্ম হয় ১৮৯৬ সালের ১২ই ডিসেম্বর। কবি পুত্রের নাম রেখেছিলেন শমীন্দ্রনাথ, আদর করে ডাকতেন 'শমি' বলে। কনিষ্ঠ পুত্রকে, কবি ভীষণ ভালোবাসতেন। 'শমি'-র জন্মদিনকে স্মরণীয় করে রাখতে কবি রচনা করেন 'সোনার তরী' কাব্যগ্রন্থ। এই সময় শান্তিনিকেতন নিয়ে কবির সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা চলছে, 'রথি'-র সাথে সাথে শিশু 'শমি'কেও ব্রক্ষ্মচর্য স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিয়েছিলেন। গেরুয়া বসন পরা ছোট 'শমি'কে দেখে কবি পরম আনন্দ লাভ করতেন। 'শমি'কে লাগতো সেই প্রাচীন মুনি ঋষিদের অনুগত শিষ্যের মতো। ছোড়দি 'মীরা'র বিয়ের সময় শমি অনেক আনন্দ করেছিল। ছোড়দির বিয়ের কয়েক মাস পরে শমি বাবার অনুমতি নিয়ে বন্ধুর সঙ্গে কিছুদিন সময় কাটাতে 'মুঙ্গেরে_ বেড়াতে যায়। কবি আনন্দের সঙ্গে অনুমতি দেন। কারণ, কবি বাল্যবয়সেই পিতার হাত ধরে ভারতের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ করেছিলেন। মুঙ্গেরে বন্ধুর সঙ্গে শমির দিনগুলো খুব আনন্দে কাটছিল, কিন্তু হঠাৎ করেই মুঙ্গেরে শমি কলেরায় আক্রান্ত হয়। ১৯০৭ সালের ২৩শে নভেম্বর, মাত্র ১১ বছর বয়সে শমি মারা যায়। দিনটি ছিল কবিপত্নীর পঞ্চম মৃত্যু বার্ষিকী। পাঁচ বছর আগে এই দিনে  মৃণালিনী দেবী মারা গিয়েছিলেন। ১৯০২-১৯০৭, এই পাঁচটি বছর কবির জীবনে নেমে এসেছিল বারবার চরম দুঃখ ও বেদনার কালবৈশাখী ঝড়। শুধুই প্রিয়জনদের এক -এক করে হারানোর  মর্মান্তিক মৃত্যুর দৃশ্য। মানুষ অল্পশোকে হয় কাতর, অধিকশোকে হয় পাথর। ১৯০২সালে স্ত্রীরমৃত্যু, ১৯০৩-এ প্রিয় কন্যা রানীর মৃত্যু, ১৯০৫-এ পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের, এবং ১৯০৭-এ প্রাণপ্রিয় কনিষ্ঠ পুত্র শমীন্দ্র নাথের মৃত্যু। 

রবীন্দ্রনাথের সাজানো গোছানো পরিবারের প্রিয়জনদের অকাল মৃত্যু, কবিকে গভীর ভাবে শোকাহত করলেও তাঁরসৃষ্টি কর্ম কখনো থেমে থাকেনি। কবি ৫৭ বছর বয়সেই ৩ পুত্রের মৃত্যু শোক পান। তারপরও দৌহিত্রের মৃত্যু ঘটে তাঁর চোখের সামনে। দৌহিত্রকে খুবই স্নেহ করতেন। নিতুর মৃত্যুতে কবি এক চিঠিতে লিখেছিলেন, "কিছু কাল আমি আছি মৃত্যু ছায়ায় ডুবে" (ভারতবিচিত্র, সংখ্যা মে-২০১৫)। নানান তথ্য ঘেঁটে মনে হয়েছে এই মুহূর্তে রবীন্দ্রনাথের সরাসরি কোন উত্তরসূরি বেঁচে নেই। মৃত্যুশোক জয় করে মৃত্যুঞ্জয়ী হয়ে উঠেছিলেন। আত্মপ্রত্যয়ী কন্ঠে ঘোষণা করেছিলেন- "আমি মৃত্যুর চেয়ে বড়ো" এ-কথার অন্তর্নিহিত অর্থ বহু ব্যপ্ত। সারা জীবন বহু প্রিয়জনদের মৃত্যুর আঘাত পেয়েছিলেন তিনি। আর সেই আঘাত জয় করেছিলেন জীবনের প্রতি সুগভীর আস্হায়। মৃত্যু শেষ কথা নয় - তারপর আসবে নতুন জীবন। সেটিই সত্য। দিনের পর যেমন রাত্রি আসে, আবার রাত্রির পরে আসে দিন - তেমনি জীবনের পরে মরণ, মরণের পরে নবজীবন। এই আসা-যাওয়ার নামই জীবন। গতিশীল যা, তার মৃত্যু হতে পারে না। জীবন গতিশীল, তাই জীবনের মৃত্যু নেই। জীবন মরণের চেয়ে বড়ো তাই কবির মৃত্যুবোধ আসলেই জীবনের প্রতি শ্রদ্ধা ও আস্থা। বহু কবিতা ওখানে এবং নাটকে সেই আস্থার কথা ব্যক্ত হয়েছে। জীবনের শেষ বয়স পর্যন্ত কলম কখনো থেমে যায় নি। নতুন -নতুন সৃষ্টির সাধনায় নিজেকে সমর্পণ করলেন। প্রিয় আত্মজ- আত্মজার অসহনীয় শোক ভুলতে সৃষ্টি কর্মে মেতে উঠলেন। এ-এক অনন্য নজির সমগ্র বিশ্বসাহিত্যে। মৃত্যুশোকে হতবিহ্বল কবি একে একে স্বজন হারানোর শোক বহন করে জীবনের শেষপ্রান্তে এসে পৌঁছান। হাজারো শোকের মাঝে কবি তাঁর সৃষ্টিকর্ম থেকে হাত গুটিয়ে নেননি। মৃত্যুশোক ভুলে থাকার জন্য তিনি শান্তিনিকেতনের নানা কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেন। কেজো জীবনে ডুবে গেলেন। কাজের ব্যস্ততাই ছিল, তাঁর কাছে মৃত্যু শোক ভোলার অব্যর্থ ঔষধ। অবিরাম লিখে চলেছেন কালজয়ী গান, নাটক, কবিতা, গল্প, উপন্যাস ও পত্রসাহিত্য। কবির এই কালজয়ী সৃষ্টির জন্য বিশ্বসম্প্রদায়ের কাছে  অমর হয়ে থাকবেন। তাঁর সৃষ্টি সম্ভারে আমরা দেখতে পাই, ১০লক্ষ শব্দভাণ্ডার সহ ৫৬টি কাব্যগ্রন্হ, ৪টি গীতিগ্রন্থ, ১১৯টি ছোটগল্প, ১৩টি পত্রগ্রন্থ, ১২টি উপন্যাস, ৯টি ভ্রমণকাহিনী, ২৯টি নাটক, ১৯টি কাব্যনাট্য এবং গানের সংখ্যা ২হাজার ২৩৫টি (আনুমানিক)। এছাড়াও তিনি ২৯৮টি বিলুপ্তপ্রায় লালনগীতি সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করেছিলেন। সম্ভবত আজ পর্যন্ত তিনি একক সর্ববৃহৎ লালনগীতি সংগ্রাহক। এছাড়া তাঁর ৩টি সেরা শিশুদের ছড়া ও কবিতার বই রয়েছে। সাহিত্য শিল্পের সব শাখায় তিনি জ্বেলেছেন সৃষ্টির উজ্জ্বল শিখা। জীবনের সীমানা বহুদূর বিস্তৃত। সেখানে মৃত্যুর করালথাবা পৌঁছাতে পারে না। জীবন নির্মিত হয় কীর্তির মাধ্যমে, কীর্তিকে অবলম্বন করে। মৃত্যু শরীরকে নিয়ে চলে যায়। ফেলে রেখে যায় তার কীর্তিময় অস্তিত্ব। জীবন সায়াহ্নে উপনীত হয়ে অনায়াসে বলতে পেরেছিলেন-"যত বড়ো হও, /তুমি তো মৃত্যুর চেয়ে বড়ো নও।" রবীন্দ্রনাথ আমাদের অভিজ্ঞান, এক আকাশ অহংকার। স্মরণ শ্রদ্ধাঞ্জলিতে আজ আমরা এই প্রত্যাশার দ্বীপ জ্বালিয়ে প্রার্থনা করি, যতদিন বাংলাও বাঙালি তথা বিশ্ববাসী সত্য, শিব ও সুন্দরের পূজারী হয়ে থাকবে, ততদিন বিশ্বকবি থাকবেন আমাদের স্মৃতির মণিকোঠায় চিরভাস্বর।   

 গ্রন্থ ঋণ ও তথ্যসূত্র- রবীন্দ্রজীবনী(১-৩): প্রশান্ত কুমার পাল, রবীন্দ্রজীবনী(১): প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়, জীবনস্মৃতি (রবীন্দ্র শতবার্ষিকী গ্রন্হমালা), বাংলা সাহিত্যে আত্মজীবনী: সোমেন্দ্রনাথ বসু, রবীন্দ্র-রচনাবলী(সুলভ), রবীন্দ্র-বিচিত্রা: প্রমথনাথ বিশি ও বিশ্বভারতী: রবীন্দ্রশতবার্ষিকী(১৮৬১- ১৯৬১) Volume 8, Part 1 and 2, by K.P Kripalini, Rabindra nath Tagore A centenary number, edited centenary volume [1861-1961] সাহিত্য আকাদেমি, নয়াদিল্লি।

ড: সুবীর মণ্ডল। বাঁকুড়া, পশ্চিমবঙ্গ